ঢাকা, ৪ নভেম্বর ২০২৫ — রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সের স্ট্রংরুম বা ভল্টের লক কাটা ও ভল্ট ভাঙার ঘটনা ধরা পড়ার পর জানা গেছে—ভল্ট থেকে সাতটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র লোপাট হয়েছে। প্রশাসনিক ও তদন্তকারী সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাটি সপ্তাহের এক নিয়মিত ইনভেন্টরি পরিদর্শনের সময় শনাক্ত করা হয়। জায়গায় উপস্থিত কর্মকর্তারা ভল্টের তালা কেটে ফেলা ও লক আরিয়ার অব্যবস্থা লক্ষ্য করেন। পর্যালোচনায় দেখা যায় তালিকা অনুযায়ী ভল্টে থাকা কিছু অস্ত্র অনুপস্থিত। ঘটনায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও কাস্টমস জোরালো তদন্ত শুরু করেছে।
বিমানবন্দর পুলিশের এক সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—ভল্ট ভাঙা ও অস্ত্র চুরিটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে এবং এটি কোনো এক সুসংগঠিত চক্রের কাজ হতে পারে। তদন্তকারীরা সিসিটিভি ফুটেজ, দরজার কাটছাঁটের চিহ্ন ও ভল্টের মেকানিজম পরীক্ষা করছে। কয়েকটি কাস্টমস ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুত্রে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিমানবন্দর সূত্রে আরও জানা গেছে, ওই কার্গো স্ট্রংরুমে সাধারণত স্বর্ণ-রত্ন, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ অনুদিত/ইম্পোর্ট হওয়া মূল্যবান মালামাল রাখা হয়। কয়েকদিন আগে কার্গো হাউসে অগ্নিকান্ডের কারণ বিষয়টিকে জটিল করে তুলেছে—কারণ আগুনের পর সিসিটিভির বেশ কিছু রেকর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় তদন্তকারী বলেছেন, ভল্ট নিজে ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও লক-সিল কেটে নেওয়া হয়েছে।
বিমান পরিবহন সংশ্লিষ্ট একটি শাখার প্রতিনিধির বরাতে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং বিমানবন্দর পুলিশও নিজস্ব জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো—বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনার সূত্রপাত ও সম্ভাব্য নিরাপত্তা বিঘ্নের কারণ অনুসন্ধান করবেন।
পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জনগণকে অনুরোধ করেছেন: কারও কাছে যদি ঐতিহ্যগত বা সন্দেহজনকভাবে অস্ত্র সংগ্রহ বা বিক্রয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকে, তাহলে দ্রুত তাদের নিকটস্থ থানায় জানাতে বা হটলাইন যোগাযোগ করতে। এছাড়া, অভিযান চালিয়ে আসামি সনাক্ত ও অস্ত্র উদ্ধারের জন্য সকল সম্ভাব্য রুট ও চ্যানেল খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে বিমানবন্দর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম প্রতিরোধে স্ট্রংরুমের প্রবেশপথ ও নজরদারি ব্যবস্থায় উন্নয়নমূলক ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তদন্ত শেষে তাদের অনুমান ও প্রস্তাব জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
সংক্ষেপে: রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দরের কার্গো স্ট্রংরুম ভাঙা ও লক কাটার ঘটনায় সাতটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র অনুপস্থিত রয়েছে; পুলিশ, কাস্টমস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মিলিয়ে তত্ত্বাবধানে তদন্ত চলছে।
আপনি যদি চান, আমি এই নিবন্ধটিকে একটি সংবাদ নোট (short bulletin), সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার টেক্সট, অথবা সবচেয়ে আপ-টু-ডেট সূত্রগুলো সহ দীর্ঘ রিপোর্ট হিসেবে সাজিয়ে দিতে পারি।
সূত্রসমূহঃ
daily-sun.com+1, The Business Standard+1, Daily Times Of Bangladesh, Dhaka Tribune+1, Daily Observer+1








Leave a Reply